অতঃপর ভালবাসা!

যখন থেকে সাগর বুঝতে পারে ভালবাসা কি, ঠিক তখন থেকে সাগরের মনে ভালবাসার রঙ লেগে যায়। সে রঙ আগের চেয়ে এখন আর বেশি বর্তমান, সামনের দিনেও থাকবে এটা যে নিশ্চিত তা সাগর ভাল করেই জানে। কিন্তু বেপারটা কেমন যেন সাগরের মানুসিকতার সাথে মিলে না। যার মাঝে এত রোমান্টিকতার ছোঁয়া যার মনে ভালবাসার রঙ লাগানো তার কপালে কিনা এখনও ভালবাসার আসল অর্থ অনুভব করার সুযোগ মিলেনি!!!

সাগরের মনে এসব খেলা করে ঠিকই কিন্তু সাগর জানে না কে দিবে সেই ভালবাসার ছোঁয়া। পাঠক আপনি কি বলতে পারবেন কে আপনাকে ভালবাসবে ঠিক আপনি যেমনটা চাইবেন? উত্তর হবে, “Not Possible”!

সাগর এসবকে বুঝেও চুপ থাকে। একবার ভুল পথে পা বাড়িয়ে সেই ভুলের মাসুল দিবার পর থেকে সাগর অনেকটাই আশাহত। আসলে, সাগর যেমনটা চায় ঠিক তেমনটা এ সমাজে মেলা দায়!!! বিস্তারিত পড়ুন

ভালবাসার প্রথম চিঠি!

কেনো জানি খুব কান্না পাচ্ছে! শূন্যতা, পূর্ণতা, নির্ভরতা নাকি নিঃসঙ্গতার জন্য, জানি না। শুধু বুঝতে পারছি বুকের ভিতরে কোথায় জেনো লুকানো জায়গা থেকে একদল অভিমান প্রচণ্ড কান্না হয়ে দু’চোখ ফেটে বেরুতে চাইছে। তুমি কাছে নেই বলে শূন্যতা তার ইচ্ছে মত দেখাচ্ছে তার নিষ্ঠুর খেলা। আমিতো তোমার বুকে মুখ লুকালেই বাঁচি এখন! কিন্তু তুমি যে কত দূরে! বলতো!

আজ শেষ বিকেলের পাহাড় ছুঁয়ে ছুটে আসা দমকা হাওয়ার জড়িয়ে দেয়া মেঘের মতো ছোট্ট একটি ঘটনা আমার সব দ্বিধাকে উড়িয়ে নিয়ে গেলো! বুঝলাম, মহাকাল যে হাস্যকর ক্ষুদ্র সময়কে “জীবন” বলে আমাকে দান করেছে। সেই জীবনে তুমি-ই আমার একমাত্র মানুষটি, যার পাঁচটি আঙ্গুলের শরণার্থী আমার পাঁচটি আঙ্গুল, যার বুকের পাঁজরে লেগে থাকা ঘামের গন্ধ আমার ঘ্রাণশক্তির একমাত্র গন্তব্য। যার এলোমেলো চুলে আমি-ই হারিয়ে যাবো। আর আমি হারিয়ে যাবো ভালবাসতে বাসতে!!! বিস্তারিত পড়ুন

জানালার কালো কাঁচ

মরিচা ধরা ভাঙ্গা টিনের জোড়াতালি দেয়া দেয়াল। ছেঁড়া নীল পলিথিনে মোড়ানো ছনের ছাঁদ। ছোট্ট ঘরটাকে আরো ছোট দুটো টুকরো করেছে বাংলা সিনেমার পোস্টার জুড়ে বানানো দেয়াল। সে দেয়ালেরও এখানে সেখানে ফুটো হয়ে গেছে। উচ্চবিত্তদের বাসের এলাকার মাঝে ভীষণ খাপছাড়া লাগে ঘরটা। আসলে জমির মালিক এখানে পাহারা দেয়ার জন্য থাকতে দিয়েছেন নিজের গ্রামের একটা ছেলেকে। এই ছেলেকে মাসে মাসে কিছু টাকাও দেন জমির মালিক। কিছুদিন পরে এখানে উঠবে বিশাল সুরম্য অট্টালিকা। তখন আর এই জীর্ণ ঘরের ছাপ খুঁজে পাওয়া যাবেনা।

এই জমিটার তিনপাশে এখুনি উঠে গেছে বিশাল সব বাসা। সামনে রাস্তা। শোনা যায় এখানে এক শতক জমির দাম দুই-আড়াই কোটি টাকা! গ্রামের সেই ছেলে যার নাম রহমান। সে বসে ভাবে তার পুরো গ্রাম বিক্রি করলেও বোধহয় এতো দাম হবেনা! কোথায় পায় মানুষ এতোগুলো টাকা? খানিকপরেই হিসেব গুলিয়ে যায় রহমানের। ঘরের ভেতর থেকে রহমানের বাবা ডাকে রহমানকে। রহমান উঠে বাবার কাছে যায়।  বিস্তারিত পড়ুন

ননি-বনি

আজ একটা গল্প বলি। গল্পের নায়িকা পিচ্চি। নায়কও পিচ্চি। পাশাপাশি বাসা, হাত ধরে স্কুলে যায়। যেতে যেতে কোনোদিন বাদাম, কোনোদিন রহিম চাচার এক টাকার আইসক্রিম খায় দুজন। ছুটে ছুটে খেলে ধরা-ধরি। একদিন বৃষ্টির দিনে কাদার উপর ধরাশায়ী দুজনে! বাসায় ফিরে কি মারটাই না খেলো দুটাই। যাই হোক নামই যে বলিনি পিচ্চি দুইটার! আপনারাও যে কি! একটু মনে করায় তো দিবেন? ছেলে পিচ্চির নাম বনি। মেয়েটার নাম ননি। তো এভাবে চলে দিন। একসাথে স্কুল, স্কুল থেকে ফিরে একসাথে খেলা। পাশাপাশি বাসা বলে খাওয়াটাও কখনো কখনো একসাথে হয়ে যায়। দিনের পর দিন, অনেকদিন গল্প চলে এভাবেই। কিছুদিন পর গল্পটা একটু বদলে যায়। সেই গল্পই বলি। মেয়েটা একা যায় স্কুল। তারপর একা যায় কলেজে। কলেজে এক ছেলে ননিকে খুব পছন্দ করে। সাহস করে একদিন বলে ফেলে ভালোবাসি। ননি সোজা না বলে দেয়। ছেলে পিছু ছাড়ে না মেয়ের। নাছোড়বান্দা! তবু ননির মন গলেনা। বিস্তারিত পড়ুন

ফিরবে কবে?

আমার অনেক কান্না পায়। কেঁদে ফেলি। গাল ভাসাই। খেলার ব্যাট ভেঙ্গেছে, কাঁদি। ফুটবলের বাতাস কমেছে, কাঁদি। আমার গ্লাসে টুকুনবাবু পানি খেয়েছে? কেঁদে ফেলি। কখনো কখনো পেন্সিলের মাথা ভাংলেও কাঁদি!

আমি আম্মুর বড় এক জ্বালা। কারণ আমার কান্না খুবই বিরক্তিকর। যে কারণেই শুরু হোক, এর শেষ হয়না সহজে। কেঁদেই চলি। যেখানে সেখানে শুরু হবার কারণে আম্মুকে ভীষণ বিরক্ত হতে হয়। একবার একজনের মৃত্যুদিবসে গেছি আম্মুর সাথে। আমার পাশে এক আন্টি। অসাবধানে আন্টির হাতের ব্যাগের এক কোণা লাগলো আমার হাতে। কাঁদার এই সুবর্ণ সুযোগ কেউ ছাড়ে? আমিও ছারলামনা। এমনি কান্না যে মিলাদ পড়াচ্ছিলেন যে হুজুর তিনিও মিলাদ পড়ানো ছেড়ে আমাকে মানে কান্নার উৎস খুঁজতে লাগলেন!

আম্মু আমাকে নিয়ে বেড়িয়ে এলেন সেখান থেকে, তারপর সে কি বকা! আমার কান্না আরো বাড়তে লাগলো! সাধারণত আমার কান্নার ভয়ে কেউ আমাকে বকেনা, আজ অনেকদিন পর কেউ বকা দিচ্ছে! আমি মনে মনে হাসি আর বিস্তারিত পড়ুন

সঙ্গীহীন আমার পথ চলা!

অনেকটা মন খারাপ নিয়েই পোষ্টটা লিখতে বসলাম। হয়তো অনেকেই পোষ্ট টাইটেল দেখে ভেবেছেন রোমান্টিক কোন ঘটনা লিখছি! কিন্তু না! এমনটা কিছুই নয়। আসলে আমি আমার ফিউচারকে নিয়ে চিন্তিত না, চিন্তিত যে স্বপ্ন জয়ের সিঁড়িতে নাবিক সহ উঠেও কুল খুঁজে নিতে বেগ পেতে হচ্ছে। কেন জানি না দুপুরের খাবার খেতে খেতে মনে হচ্ছিলো প্রতিনিয়ত আমি অনেক পিছিয়ে যাচ্ছি। তাও আমার নিজের অবহেলার জন্য নয়, অন্য কারদের জন্য যাদেরকে নিয়ে আমি স্বপ্ন দেখি দূর সীমানার ঐ আকাশ ছোঁয়ার। আমি কি তাহলে ভুল করছি?

আমার কাজ করে যাবার বা শিখে যাবার কোন অলসতা নেই। সেই ২০০৬ সালের ৯ এপ্রিল আমি প্রথম কম্পিউটারে হাত দেই আর নিজের কম্পিউটার হাতে পাই যখন এমএস ওয়ার্ডে টাইপ করা শিখে ফেলি সেটাও ২০০৬ সালের ১লা জুন। সেই থেকে আজ অবধি আমি নিরলস ভাল কাজ চালিয়ে যাচ্ছি সমান তালে। কখনও কাজ করছি, কখনও শিখছি আবার কখনও অন্যদেরকে শিখাচ্ছি। বিস্তারিত পড়ুন

ব্যস্ত দিন মানেই – শুক্রবার!

অন্যদিন গুলোর সাথে আমি অনেক আগে থেকে শুক্রবারকে মিলাতে পারতাম না। কারণ, সচারচর প্রতিদিন আমরা যেভাবে চলাফেরা করি তাঁর থেকে এই দিনটা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। বিশেষ করে আমরা যারা মুসলিম। বিভিন্ন ব্যস্ততার মধ্যে দিয়ে কখন যে এই দিনটি পার হয়ে যায় তা বুঝা মুশকিল।🙂

যেমন ধরুন, প্রতিদিন আমি ঘুম থেকে উঠি সকাল ৯.৩০-১০টার মধ্যে তাও আম্মার চেঁচামেচি শুনার পর😛 স্বভাবতই অনেক রাতে ঘুমাই দেখে। কিন্তু আজ, ঐ যে বললাম আজ শুক্রবার। ঘুম ভাংলো সকাল ৮.১৫ মিনিটে তাও বন্ধুদের মিস কলের অত্যাচারে!😦 ক্রিকেট খেলতে মাঠে যেতে হবে। হুমড়ি খেয়ে কোন মতে টয়লেট সেরে একটু হাল্কা নাস্তা করেই ব্যাট হাতে দুইভাই চললাম মাঠে!😉 ওদিকে ক্ষানিক লেট হবার কারনে বন্ধুদের মিসকল এর হিরিক পড়ছিল!😀

মাঠে যাবার ৩০ মিনিট পর খেলা শুরু হল। আচ্ছা যদি ৩০ মিনিট পরেই খেলা শুরু বিস্তারিত পড়ুন