মাইক্রো ফ্রীলান্সিং মার্কেটপ্লেস “মাইক্রোওয়ার্কার্স” টিউটোরিয়াল শেষ – পর্ব

মাইক্রোওয়ার্কার্স নিয়ে আজকে শেষ পর্বের পোষ্টিং শুরু করতে যাচ্ছি। যারা আগের দুই পর্বকে অনুসরন করে কাজ করতেছেন বা আগে থেকেই কাজ করে আসছেন মাইওয়ার্কার্স-এ তারা এই পর্ব থেকে জানতে পারবেন কিভাবে মাইক্রোওয়ার্কার্স এর কাজ করার পর অর্থ উত্তোলন করতে হয়।

অন্যান্য বড় বড় আউটসোর্সিং সাইটের মত মাইক্রোওয়ার্কার্স এও আপনি ভাল ভাল কাজ করতে পারবেন। কিন্তু, আগেও বলেছি কাজগুলো হবে অনেক ছোট ছোট তা আপনারও এতো দিনে বুঝে গেছেন আশা করছি। তাও একটি স্টেপ পর্যন্ত পৌছানোর পরে আপনি পেমেন্ট উত্তোন করার জন্য রিকোয়েস্ট করতে পারবেন। আর মাইক্রোওয়ার্কার্স এর নিয়মানুযায়ী আপনি $10 আয় করার পর পরই উত্তোলনের জন্য রিকোয়েস্ট করতে পারবেন। এখানে আপনি যদি প্রথম বারের মত মাইক্রোওয়ার্কার্স থেকে অর্থ উত্তোলন করতে চান তবে, আপনাকে উত্তোলনের আগেই আপনার ঠিকানা ভেরিফাই করাতে হবে। তার পরে যেকোন সময় আপনি অর্থ উত্তোলন করাতে পারবেন। তো চলুন এবার কিভাবে কি করতে হবে দেখা যাক….

১. প্রথমে বারের মত উত্তোলন করতে হলে আপনাকে নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরন করে আপনার ঠিকানা ভেরিফাই করাতে হবে। এর জন্য আপনার মাইক্রোওয়ার্কার্স একাউন্টে লগইন করুন। তারপর “Withdraw $” পেজে ক্লিক করুন।

২. যদি আপনার একাউন্টের অর্থ এর পরিমান $10 পার হয়ে থাকে তরে নিচের মত বিস্তারিত পড়ুন

মাইক্রো ফ্রীলান্সিং মার্কেটপ্লেস “মাইক্রোওয়ার্কার্স” টিউটোরিয়াল পর্ব – ২

গত পর্বে দেখিয়েছি কিভাবে কিভাবে মাইক্রোওয়ার্কার্স.কম এ রেজিষ্ট্রেশন এবং প্রোফাইল সাজাবেন । এই পর্বের মূল আলোচনা হবে, কিভাবে একটি জব পছন্দ করবেন এবং তা বায়ারের চাহিদা অনুযায়ী সাবমিট করবেন। তো চলুন কথা না বাড়িয়ে মূল আলোচনায় চলে যাই ….

মাইক্রোওয়ার্কার্স এ আপনি অনেক ধরনের কাজ করতে পারবেন আপনার কোয়ালিটি মত। তবে, এখানে কাজ করার আজে ঠিক বড় বড় ফ্রীলান্সিং সাইটের মত বায়ারের চাহিদা আগে বুঝতে হবে আপনাকে। মানে বায়ার আপনার কাছে কি কি চাচ্ছে তার কাজের জন্য। একটু লক্ষ করুন কাজ করার পূর্বে কি কি বিষয় এর দিকে নজর দিবেন অবশ্যই :

ক. কাজ করতে শুরু করার আগে ভাল ভাবে জব বিবরন পড়ে নিবেন যে, আপনি জবটি করতে পারবেন কিনা। এখানে একটি কথা মনে রাখবেন, অনেক জব তাকবে যেটা আপনি করতে পারবেন। কিন্তু বায়ার তার কাজটির জন্য নির্দিষ্ট দেশ নির্বাচন করে দেন। সেই দেশ ব্যতিত অন্য কেউ কাজ করলেও পেমেন্ট পাবে না। আপনিও সেই দেশের আওতাভূক্ত না হয়ে কাজ করলে আপনি পেমেন্ট পাবেন না এটা ১০০% নিশ্চিত।

খ. সব মাইক্রো ফ্রীলান্সিং সাইটের কাজগুলোই সবনিম্ন ১ মিনিট থেকে সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট এর হয়ে থাকে। এত দেখা যায় অনেক কাজই সময়ের মধ্যে হতে পারে আবার নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কিছু চালাকি অবলম্বন করবেন, সেটা হল বায়ারের বিবরন এবং জব প্রুফ হিসাবে কি কি তথা চাইছেন তা স্টেপ বাই স্টেপ সেভ করে নিয়ে কাজ শেষ করবেন তার পরে নিচের থেকে I Accept this job এ ক্লিক করবেন। বিস্তারিত পড়ুন

মাইক্রো ফ্রীলান্সিং মার্কেটপ্লেস “মাইক্রোওয়ার্কার্স” টিউটোরিয়াল পর্ব – ১

বর্তমান বিশ্বে আমাদের চাহিদার সাথে মিল রেখে অনেক ফ্রীলান্সিং সাইট এর উদ্ভাবন হয়েছে। কিন্তু, সবাই কি আমরা সেসব সইট থেকে কাজ নিতে পারছি? উত্তর, অবশ্যই “না”! কারন, আমরা কাজ করতে সবাই ইচ্ছুক কিন্তু কজন জানি সেসব কাজ করতে? এখানেও উত্তর আসবে হাতেগোনা কয়েকজন। একটা কথা মনে রাখতে হবে, শুধু করজ করতে চাইলেই হবে না। কাজ করতে হলে আগে কাজ জানতে হবে। তারপর জানতে হবে কিভাবে কাজ বায়ার থেকে নিবেন সবার সাথে পাল্লা দিয়ে। এবার হয়তো ভাবছেন আপনাকে দিয়ে ফ্রীলান্সিং হবে না এতো ঝামেলার মাঝে। আসলেই কি তাই? তাহলে কি আপনার দ্বারায় ফ্রীলান্সিং হবে না?

আসলে ফ্রীলান্সিং প্লাটফর্মাটা এতটাই বড় আর জটিল যে, এখানে কাজ না জেনে আপনি অন্যেদের সাথে কখনোই প্রতিযোগীতায় টিকতে পারবেন না। আর যদি মানে কারেন আপনাকে দিয়ে আসলেই সেইসব বড় সাইটে কাজ হবে না অথবা সেইসব বড় সাইটে কাজ করার আগে নিজেকে কিছুটা ঝালিযে নিতে চাচ্ছেন অথবা পড়াশুনার পাশাপাশি নিজের এবং ইন্টারনেটের বিল নিজের পকেট থেকে দেয়ার মত ক্ষমতা রাখবেন, তাহলে চলুন আপনার জন্যই অপেক্ষা করছে …. বিস্তারিত পড়ুন