ওয়েব ডিজাইন প্রোপেজাল লেটার লিখার ৭ টি টিপস!

আপনি যদি ওয়েব ডিজাইনার হয়ে থাকেন এবং আপনার কাজকে ট্রাডিশনালভাবে ক্লাইনেটদের সামনে উপস্থাপন করতে ইচ্ছুক হন তবে, আপনার কাজগুলোকে মান সম্পন্ন এবং স্মাটভাবে উপস্থাপন করতে জানতে হবে। আর তার জন্য একটি মানসম্পন্ন প্রোপেজাল লেটার লিখা অনেক বেশি জরুরী। কারন ওয়েব ডিজাইনারদের জন্য স্মার্টনেস এবং কার্য প্রদর্শনের চাকচিক্কতাই তাকে কাজ পাইয়ে দিতে অনেক অংশে সহায়তা করে। চলুন দেখি একটি মান সম্পন্ন ওয়েব ডিজাইন প্রোপোজল লেটার এর কি কি বিষয় প্রাধন্য দিতে হয়…

১. ক্লাইন্টের চাহিদাঃ প্রোপোজাল লেটারের প্রথমেই আপনাকে জানাতে হবে আপনার ক্লাইন্টকে এবং আপনি নিশ্চিত করুন আপনার ক্লাইন্ট যেরকম কাজ চাইছে তার জন্য আপিন পুরোপুরি প্রস্তুত(অবশ্যই সত্য বলবেন)। তারপর তার কোম্পানীর সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেষ্টা করুন, তারা কি ধরনের সমস্যার সমাধান চাইছে সব কিছুর পরিস্কার ধারনা নিন।

২. আপনার কার্য ক্ষমতাঃ এই অংশে আপনি ক্লান্টের চাহিদাতম কি কি দিতে পারছেন এবং কাজের পরবর্তীতে আরো কি কি বিষয়ের নিরাপত্তা দান করতে পারবেন নিশ্চত করুন। এতে করে ক্লাইন্ট আপনার প্রতি আস্থা পাবেন এবং আপনাকে হায়ার করতে বেশি চিন্তা ভাবনা করবেন না। তবে, আবারো বলছি বেশি কিছু বাড়ায় না বলাই ভাল।🙂

৩. পূর্ববর্তী কাজের নমুনাঃ যদি সম্ভব হয় তরে আপনার পূর্ববর্তী কাজের থেকে সবচেয়ে ভাল কাজ গুলোর একটি নমুনা তালিকা সংযুক্ত করে দিন। কারন পূর্ব অভিজ্ঞতা কাজের পেতে অনেক সহায়ক তা প্রমাণিত।

৪. কার্যক্রমের সম্ভব্যতা নিশ্চিত করনঃ উপরের স্টেপগুলো পার করবার পর আপনাকে এখানে ঠিক করে জানাতে হবে আপনি কতদিনের মধ্যে কাজটি করে দিতে পারবেন। তার জন্য কত টাকা চার্জ পরিশোধ করতে হবে। সাথে আপনার সার্ভিস থেকে বাড়তি কিছু অফার করতে পারেন যেমন ফ্রি হোস্টিং অথবা ডোমেইন(১ বছরের জন্য)। এত করে আপনার ক্লাইন্ট আপনার প্রতি সন্তুষ্ট হবেন।

৫. প্রুফ রিভিংঃ ক্লাইন্টের কাছে আপনার প্রোপোজাল লেটার দেয়ার আগে কয়েকবার তা ভালমত পড়ে নিন কোথায় কোন গ্রামাটিক্যাল ভুল আছে কিনা তা ভাল করে দেখুন। আপনি না পারলে অন্য কাউকে দিন যে আপনার জন্য কাজটি করে দিবে। কারন ক্লাইন্ট অবশ্য চাইবে তার কাজটি একজন মান সম্পন এবং নির্ভুল মানুষকে দিয়েই কবায় নিতে। বার লেটারেই যদি ভুল চিহিৃত তাহলে কাজ পারা নিশ্চয়তা… !!!

৬. যোগাযোগের ব্যবস্থাঃ আপনি অবশ্যই চাইবেন আপনার সেই ক্লাইন্ট যে আপনার সাথে যোগাযোগ করে এবং তাদের কোন প্রশ্ন থাকলে যেন আপনার থেকে শুনে নিতে পারে। তাই লেটারের মুল বিষয়ের সব কিছু লিখার পরে নিচের অংশে অবশ্যই আপনার যোগাযোগের মাধ্যমগুলো দিতে বুলবেন না। সম্ভব হলে একাধিক মাধ্যম(ভার্চুয়ালী এবং সরাসরি) লিখবেন।

৭. উপসংহার প্রদানঃ সবকিছুই লিখলেন এবার তারা যদি আপনার সকল টার্মসের সাথে একমত হয় তবে কিভাবে এবং কখন থেকে কাজটি শুরু করতে পারবেন তার একটি পরিস্কার শানে নূযুল দিতে হবে। এই স্টেপ থেকেই আপনার ক্লাইন্ট আপনার সাথে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত বেন।

এখন সবচেয়ে গুরুপ্তপূর্ণ কথা হলো, যখনই আপনি কোন ক্লাইন্টকে প্রোপোজাল লেটার লিখবেন, ক্লাইন্টের চাহিদার দিকে নজর দিবেন অতি গুরুপ্তের সাথে। তার সাথে আচরনগত এবং এমন কিছু প্রদর্শন করুন যাতে সে সহজেই অনুমান করতে নিতে পারে আপনিই তার কজের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি। তবে, কোনভাবেই মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে নয়।

আজ এ পর্যন্তই!

সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।

মন্তব্য প্রদান করুন ...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s